ঢাকা,সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

পুঁজিবাজার: সবার জন্য সমান হচ্ছে টিডব্লিউএস ফি

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই)সকল ট্রেকহোল্ডাররা সমান সুবিধা পাবে। এতোদিন নতুন ও পুরাতন ট্রেকহোল্ডারদের মধ্যে এ নিয়ে একটি বৈষম্য ছিলো। আজ অনুষ্ঠিত ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিদ্যমান বা পুরানো ট্রেক নীতি অনুসারে, এক থেকে ১০টি পর্যন্ত প্রতি ষ্টেশনের জন্য ৫ হাজার টাকা; ১১ থেকে ২০ পর্যন্ত ১০ হাজার টাকা; ২১ থেকে ২৫ টিডব্লিউএসের জন্য প্রতি ষ্টেশনের জন্য ২৫ হাজার টাকা; এবং ২৬টি থেকে এবং এর উপরে প্রতি ষ্টেশনের জন্য ৩০ হাজার টাকা ট্রেকগুলো ডিএসইকে প্রদান করে। অন্যদিকে নতুন ট্রেকহোল্ডারা প্রতি মাসে একটি টিডব্লিউএস এর জন্য ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করে আসছিলো।

বিষয়টি নিয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও ডিএসইর সাথে একাধিকবার বৈঠক করে নতুন ট্রেকহোল্ডাররা। সম্প্রতি নতুন ট্রেক হোল্ডাররা ডিএসই চেয়ারম্যান ড. হাফিজ মো. হাসান বাবুর সাথে দেখা করেন। এসময় তারা দাবি করেছিল যে নতুন ট্রেক হোল্ডারদের একটি একক ট্রেডিং ওয়ার্ক স্টেশনের জন্য প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা চার্জ প্রদান করতে হয়। এ চার্জ পুরানোদের মতো চারটি শ্রেণিতে ভাগ করে টাকার পরিমান কমানোর দাবি জনান তারা।

সব দিক বিবেচনা করে আজ (মঙ্গলবা) ডিএসইর পর্ষদ সভায় সবার জন্য সমান হারে চার্জ নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত দেন।

নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই পুঁজিবাজারের সম্প্রসারণের জন্য কাজ শুরু করে। এরই অংশ হিসেবে ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা পৃথক (ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন) আইন অনুযায়ী নতুন ট্রেডিং রাইট টাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক) ইস্যু করে বিএসইসি। এই পর্যন্ত ৫৮টি নতুন ট্রেক ইস্যু করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএসইর একজন পর্ষদ সদস্য বিডিক্যাপকে বলেন, টিডব্লিউএস নিয়ে পুরাতন ও নতুন ট্রেকহোল্ডারদের মধ্যে একটি বড় ধরণের বৈষম্য ছিলো। আজকের পর্ষদ সভায় এটি সবার জন্য সমান ফি নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নতুন ট্রেক হোল্ডাররা হলেন ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেড, এসকিউ ওয়্যার ক্যাবল কোম্পানি, গিবসন সিকিউরিটিজ, কবির সিকিউরিটিজ, মনার্ক হোল্ডিংস, সোহেল সিকিউরিটিজ, আরএকে ক্যাপিটাল, যমুনা ব্যাংক সিকিউরিটিজ, স্নিগ্ধা ইক্যুইটিজ, ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটিজ কোম্পানি, সাউথ এশিয়া সিকিউরিটিজ, ট্রিস্টার সিকিউরিটিজ, থ্রিআই সিকিউরিটিজ, সোনালী সিকিউরিটিজ, কেডিএস শেয়ার এবং সিকিউরিটিজ, আল হারামাইন সিকিউরিটিজ, মীর সিকিউরিটিজ, টিকে শেয়ার এবং সিকিউরিটিজ, এনআরবি ব্যাংক সিকিউরিটিজ, এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট, অমায়া সিকিউরিটিজ, প্রুডেনশিয়াল ক্যাপিটাল, তাকাফুল ইসলাম’ সিকিউরিটিজ, বিএনবি সিকিউরিটিজ, অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স সিকিউরিটিজ, মাহ. বারাকা সিকিউরিটিজ, এএনসি সিকিউরিটিজ, এসএফআইএল সিকিউরিটিজ, তাসিয়া সিকিউরিটিজ, ডাইনেস্টি সিকিউরিটিজ, সেলেস্টিয়াল সিকিউরিটিজ, ট্রেড এক্স সিকিউরিটিজ, অমর সিকিউরিটিজ, ব্যাং জি জিও টেক্সটাইল, মীনহার সিকিউরিটিজ, বিপ্লব হোল্ডিংস, অ্যাসোসিয়েটেড ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজ, বি রিচ, এমকেবি, রহমান কলম্বিয়া সিকিউরিটিজ, স্মার্ট শেয়ার, বেনেময় সিকিউরিটিজ, রিলিফ এক্সচেঞ্জ, সম্রাট সিকিউরিটিজ, এনওয়াই ট্রেডিং, বি এবং বিএসএস ট্রেডিং, অ্যাসুরেন্স সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, সিএএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এসবিআই সিকিউরিটিজ লিমিটেড, উইংস ফিন লিমিটেড, ফারইস্ট শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ট্রাস্ট রিজিওনাল ইক্যুইটি লিমিটেড , ইনোভা সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ব্রিজ স্টক অ্যান্ড ব্রোকারেজ, ম্যাট্রিক্স সিকিউরিটিজ, এবং ডিপি ৭ লিমিটেড।

এনজে

পাঠকের মতামত: