ঢাকা,রোববার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম

বৈশ্বিক বাজারে ডলার শক্তিশালী হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে কমেছে স্বর্ণের দাম।স্পট স্বর্ণের দাম দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সের দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৫৭ ডলার ৯৯ সেন্টে। এদিকে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরো কিছুদিন উচ্চতায় রাখা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। খবর রয়টার্স।

চলতি মাসে স্পট স্বর্ণ ১ দশমিক ৫ শতাংশ দাম হারিয়েছে। মে মাসের প্রথমে থাকা দামের তুলনায় কমেছে ১0২০ ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ সরবরাহ বাজারে স্বর্ণের দাম ছিল প্রতি আউন্স ১ হাজার ৯৭৬ ডলার ৯০ সেন্ট। টেস্টিলিভের শীর্ষ কর্মকর্তা ইলিয়া স্পিভাক দাবি করেছেন, ‘‌স্বর্ণের বিপরীতে মার্কিন মুদ্রা ডলার বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক খাতে স্মরণকালের বড় ধরনের বিপর্যয় ও ঋণসীমা বাড়ানো নিয়ে দীর্ঘকালীন টানাপড়েন অতিক্রান্ত হয়েছে। এখন সামনে থাকা মূল্যস্ফীতির মোকাবেলা করাই মুখ্য বিষয়।’ ওয়াশিংটনে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ঋণসীমা বাড়ানোর। কোনো কোনো রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা ঋণসীমা বাড়ানোর ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিপরীতে ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও রিপাবলিকান স্পিকার কেভিন ম্যাককার্থি আশাবাদী ছিলেন বিল পাস হওয়ার ব্যাপারে। যদিও দেশ অর্থনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠতে পারবে কিনা এ বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি। তবে বর্তমানে ডলারের অবস্থান গত দুই মাসের মধ্যে শীর্ষে। এদিকে দেখা যাচ্ছে চীনের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ার মন্থরতা, যা প্রভাবিত করেছে দামকে।

ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের অন্যতম বিশ্লেষক এডওয়ার্ড গার্ডনার জানান, আগামী কিছু দিনের জন্য স্বর্ণ বর্তমান অবস্থানেই থাকবে। দামের অনিশ্চয়তার মধ্যেও আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদাবিষয়ক টানাপড়েন থাকার সম্ভাবনা নেই। ঋণসীমা বাড়ানোর জেরে ডলারের অবস্থানও বেশ শক্তিশালী। তবে ফেডের সুদের হার বাড়তে থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। ক্লিভল্যান্ডের ফেড ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট লোরেটা মেস্টার অবশ্য মনে করেন, সুদের হার বাড়ানোর জন্য অপেক্ষায় থাকার কোনো কারণ নেই।

আগামী ১৩-১৪ জুন ফেডের বিশেষ সভা। মার্কিন ভবিষ্যৎ সরবরাহ বাজারে তার প্রভাব পড়তে পারে। স্বর্ণের খাতে সুদের হার এখনো উচ্চ অবস্থানে। এদিকে স্পট রুপার দাম দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ২৩ ডলার ২৬ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৬ ডলার ৯২ সেন্টে। কিন্তু প্যালাডিয়ামের দাম দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩৯০ ডলার ৪৫ সেন্টে ঠেকেছে। তিনটি ধাতুর দামই মাসিক ভিত্তিতে কমেছে।

এনজে

পাঠকের মতামত: