ঢাকা,সোমবার, ১৩ মে ২০২৪

২৭ মাসের সর্বনিম্নে নামতে পারে ভারতের পাম অয়েল আমদানি

Dua pekerja menata kelapa sawit di atas truk di perkebunan kelapa sawit, Mesuji Raya, OKI, Sumatera Selatan, Selasa (9/2). Asosiasi Petani Kelapa Sawit Indonesia (Apkasindo) keberatan dengan pemerintah Perancis atas pengenaan pajak regresif terhadap produk Crude Palm Oil (CPO) Indonesia, yang dianggap sangat memberatkan petani. ANTARA FOTO/ Budi Candra Setya/ama/16.

চলতি মাসে ভারতে পাম অয়েল আমদানি কমে ২৭ মাসের সর্বনিম্নে নামবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কারণ নজিরবিহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে ক্রেতারা পণ্যটির ক্রয়াদেশ বাতিল করে দিচ্ছেন। অনেকের মধ্যে পণ্যটি আমদানিতে অনীহাও দেখা গেছে। বিপরীতে তারা সয়াবিন তেল ও সূর্যমুখী তেল আমদানিকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এসব তথ্য জানিয়েছে দেশটির ডিলার ও কার্গোর তথ্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো।

বর্তমানে ভারত বিশ্বের শীর্ষ উদ্ভিজ্জ তেল আমদানিকারক। দেশটিতে আমদানি এত বেশি মাত্রায় কমলে নিম্নমুখী চাপের মুখে পড়বে পাম অয়েলের বাজারদর। মালয়েশিয়া ও ‍ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের শীর্ষ দুই পাম অয়েল ‍উৎপাদক। দেশ দুটি বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় পাম অয়েলের দাম কমিয়ে দিতে পারে। যাতে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী তেলের বিপরীতে পাম অয়েলের বাজার ধরে রাখা যায়।

এদিকে ভারতের আমদানি কমে যাওয়ার খবরে বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে আগস্টে সরবরাহের জন্য চুক্তীকৃত পাম অয়েলের দাম ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৩ হাজার ৩৬৫ রিঙ্গিতে।

ডিলাররা জানান, চলতি মাসের প্রথম ২০ দিনে ভারতের বিভিন্ন বন্দরে ২ লাখ ৬১ হাজার টন পাম অয়েল খালাস করা হয়েছে। বাকি ১১ দিনে আরো দেড় লাখ টন খালাসের কথা রয়েছে। অর্থাৎ মোট খালাসের পরিমাণ দাঁড়াবে ৪ লাখ ১১ হাজার টনে।

সলভেন্ট এক্সট্রাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (এসইএ) জানায়, ২০২২-২৩ মৌসুমের প্রথম ছয় মাসে ভারতের গড় মাসভিত্তিক পাম অয়েল আমদানি দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ১৮ হাজার ২০৩ টনে। গত বছরের নভেম্বরে এ মৌসুম শুরু হয়েছে।

জিজিএন রিসার্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজেশ প্যাটেল বলেন, ‘‌প্রতিযোগিতামূলক দামের কারণে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে পাম অয়েলের জায়গা দখল করে নিয়েছে সূর্যমুখী তেল।’

পাঠকের মতামত: