ঢাকা,শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪

পাঁচ মাসের সর্বনিম্নে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল মজুদ

Dua pekerja menata kelapa sawit di atas truk di perkebunan kelapa sawit, Mesuji Raya, OKI, Sumatera Selatan, Selasa (9/2). Asosiasi Petani Kelapa Sawit Indonesia (Apkasindo) keberatan dengan pemerintah Perancis atas pengenaan pajak regresif terhadap produk Crude Palm Oil (CPO) Indonesia, yang dianggap sangat memberatkan petani. ANTARA FOTO/ Budi Candra Setya/ama/16.

জানুয়ারি মাসে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েল উৎপাদন ও রফতানি—দুটোই কমেছে। ফলে দেশটিকে বিদ্যমান মজুদ থেকেই চাহিদা পূরণ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে হয়েছে। এ কারণে ওই মাসে পাম অয়েলের মজুদ কমে পাঁচ মাসের সর্বনিম্নে নেমেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক সমীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

এ সমীক্ষায় অংশ নেয় ১১টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও বাজার বিশ্লেষক কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। সমীক্ষার তথ্যমতে, জানুয়ারিতে পাম অয়েলের মোট মজুদের পরিমাণ ছিল ২১ লাখ ৮০ হাজার টন, যা ডিসেম্বরের চেয়ে দশমিক ৬৬ শতাংশ কম।

বর্তমানে মালয়েশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদক। মৌসুমি ঝড় ও বন্যায় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন দেশটির পাম অয়েল উৎপাদকরা। বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে গত মাসে দেশটিতে পাম অয়েল উৎপাদন ১৪ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। মাসভিত্তিক উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৯০ হাজার টনে, যা এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

পণ্যটির রফতানি ২১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে সাড়ে ১১ লাখ টনে নেমেছে। মূলত শীর্ষ ক্রেতা দেশ চীন ও ভারতে জাহাজীকরণের পরিমাণ শ্লথ হয়ে আসায় রফতানিতে নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী মাসগুলোয় পাম অয়েলের চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ রমজান মাস উপলক্ষে ক্রেতা দেশগুলো পণ্যটির মজুদ বাড়বে। ২২ মার্চ রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এনজে

পাঠকের মতামত: