ঢাকা,বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ভোমরায় পণ্য রফতানি কমেছে ২১ হাজার টন

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি কমেছে সাড়ে ২১ হাজার টন। গত জুলাই-নভেম্বর পর্যন্ত মোট ১ লাখ ১৪ হাজার টন পণ্য রফতানি হয়েছে। ভোমরা দিয়ে রফতানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে সুতা, পাটের সুতা, তাঁতের শাড়ি, রাইস ব্র্যান অয়েল, মধু, মাছ, গার্মেন্টস বর্জ্য ও বিভিন্ন শিল্পপণ্যসামগ্রী। বন্দর ও রফতানিসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ডলার সংকটের পাশাপাশি ভারত থেকে আমদানি চাহিদা কমে যাওয়ায় পণ্য রফতানি নিম্নমুখী হয়েছে।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর পর্যন্ত বন্দর দিয়ে মোট ১ লাখ ১৪ হাজার ১৭৮ টন পণ্য রফতানি হয়েছে, যার বিক্রয়মূল্য ছিল ১ হাজার ৩৬১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। তবে গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই সময়ে বন্দর দিয়ে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬৯৫ টন পণ্য রফতানি হয়েছিল, যার বিক্রয়মূল্য ছিল ১ হাজার ৪২৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এ হিসাবে, চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে বন্দরটি দিয়ে পণ্য রফতানি কমেছে ২১ হাজার ৫১৭ টন। আর রফতানি আয় কমেছে ৬৫ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

ভোমরা স্থলবন্দরের রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স গনি অ্যান্ড সন্সের ব্যবস্থাপক অশোক কুমার জানান, তার প্রতিষ্ঠানটি আমদানির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের পণ্য রফতানি করে। এসব পণ্যের মধ্যে পাটের সুতা, তাঁতের শাড়ি, রাইস ব্র্যান অয়েল, মশারি নেট, গার্মেন্টস বর্জ্য, মধু, মাছ ও বিভিন্ন ধরনের শিল্পজাত খাদ্যসামগ্রী উল্লেখযোগ্য।

তিনি বলেন, ‘গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমাদের রফতানির পরিমাণ কিছুটা কমে গেছে। মূলত ডলারের উচ্চমূল্যের পাশাপাশি ভারতের আমদানি চাহিদা কমায় আমাদের রফতানি কমেছে।’

ভোমরা বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দিলওয়ার রাজু বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই বন্দরে ব্যবসা-বাণিজ্য খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। এ বন্দর দিয়ে আমদানির পাশাপাশি বছরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বাংলাদেশী পণ্য রফতানি করা হয়। এ বছর শুধু রফতানি নয়, এলসি জটিলতার কারণে বন্দর দিয়ে আমদানিও কমেছে।’

এনজে

পাঠকের মতামত: