ঢাকা,শুক্রবার, ১৭ মে ২০২৪

ভোমরায় তিন মাসে ১৭২ কোটি টাকার রসুন আমদানি

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বেড়েছে রসুন আমদানি। গত অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মসলাপণ্যটির আমদানি বেড়েছে অন্তত ৬০ শতাংশ। আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, রসুনের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় আমদানি বাড়িয়েছেন তারা। তবে আমদানি বাড়লেও পাইকারি ও খুচরা বাজারে পণ্যটির দাম কমছে না। ক্রেতাদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা গেছে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এ বন্দর দিয়ে রসুন আমদানি হয়েছে ১০ হাজার ৮৯৯ টন, যার আমদানি মূল্য ১৭২ কোটি ৬ লাখ টাকা। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই সময়ে বন্দরটি দিয়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ১২৭ টন, যার মূল্য ছিল ৫৬ কোটি ১ লাখ টাকা। এ হিসাব অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে পণ্যটির আমদানি বেড়েছে ৬ হাজার ৭৭২ টন।

ভোমরা স্থলবন্দরের পণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান দাবি করেন, গত বছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রসুন আমদানি বেড়েছে কমপক্ষে ৬০-৬৫ শতাংশ। বর্তমানে চাহিদা বাড়ায় তার প্রতিষ্ঠানও আমদানি বাড়িয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা সদরের সবচেয়ে বৃহৎ মসলা বিক্রয় কেন্দ্র সুলতানপুর বড় বাজার। গতকাল সেখানকার কয়েকটি আড়ত ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারি হিসেবে কেজিপ্রতি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৯০-২১০ টাকা দরে। আর খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকায়।

এ বাজারের পাইকারি মসলা বিক্রেতা মেসার্স মামা-ভাগ্নে ভাণ্ডারের স্বত্বাধিকারী মো. জহুরুল হক জানান, চাহিদা বাড়ায় বাজারে মসলার দামও বেশি। এক-দেড় মাস ধরে পণ্যটির দাম খুব বেশি ওঠানামা করেনি। এমনকি আমদানি বাড়ার পরও দামে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি।

মসলাপণ্যটির উচ্চদাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন খুচরা বাজারের ক্রেতারা। সাতক্ষীরা শহরের পলাপোল মহল্লার বাসিন্দা আল মামুন বলেন, ‘‌রসুন ও শুকনা মরিচের দাম অনেক বেড়েছে। সঠিক মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো নিত্যপণ্যের দাম নিচ্ছে। এতে করে সাধারণ ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছে।’

পাঠকের মতামত: