ঢাকা,রোববার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

১১ মাসের সর্বোচ্চে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল মজুদ

Dua pekerja menata kelapa sawit di atas truk di perkebunan kelapa sawit, Mesuji Raya, OKI, Sumatera Selatan, Selasa (9/2). Asosiasi Petani Kelapa Sawit Indonesia (Apkasindo) keberatan dengan pemerintah Perancis atas pengenaan pajak regresif terhadap produk Crude Palm Oil (CPO) Indonesia, yang dianggap sangat memberatkan petani. ANTARA FOTO/ Budi Candra Setya/ama/16.

১১ মাসের সর্বোচ্চে উঠেছে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল প্রাথমিক জরিপে এমন তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে, রফতানি বৃদ্ধি সত্ত্বেও দেশটির পাম অয়েল মজুদের পরিমাণ বেড়েছে। ২০২২ সালের অক্টোবরের পর এটিই সম্ভাব্য সর্বোচ্চ মজুদের রেকর্ড।

রয়টার্সের জরিপে অংশ নেয়া ১১ ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষক জানিয়েছেন, এ নিয়ে টানা পাঁচ মাস ধরে দেশটিতে পাম অয়েলের মজুদ বাড়ছে। আগস্ট-সেপ্টেম্বরে মজুদ বেড়েছে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ। মোট মজুদের পরিমাণ উঠেছে ২৩ লাখ ৮০ হাজার টনে।

বর্তমানে মালয়েশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদনকারী। প্রাক্কলন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে অপরিশোধিত পাম অয়েল উৎপাদন দাঁড়াতে পারে ১৮ লাখ ৬০ হাজার টনে, যা ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরের পর সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির খবর। আর মাসভিত্তিক হিসেবে গত আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বরে উৎপাদন বৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।

প্রাক্কলিত জরিপ বলছে, রফতানি বেড়েছে ৮ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। মোট রফতানি হয়েছে ১৩ লাখ ২০ হাজার টন।

কুয়ালালামপুরভিত্তিক এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘‌অধিকসংখ্যক কর্মী মাঠে ফেরায় উৎপাদন বেড়েছে। তাছাড়া এখন উৎপাদনের সর্বোচ্চ মৌসুম চলছে। তাই মজুদও অনেক বেড়েছে। এ কারণে দাম কিছুটা কমে যেতে পারে।’

এদিকে বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে সেপ্টেম্বরে বাজার আদর্শ দাম ৬ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ কমেছে। এর মধ্য দিয়ে তিন মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো দাম কমেছে।

ওই ব্যবসায়ী বলেন, ‘‌উচ্চ মজুদের কারণে দাম আগামীতে আরো কমবে। একমাত্র রফতানি বাড়লে এ অবস্থায় পরিবর্তন আসতে পারে। তবে শীর্ষ আমদানিকারক ভারত ও চীন গত জুলাই ও আগস্টে ব্যাপক হারে পাম অয়েল কিনেছে। এ কারণে তাদেরও মজুদ বেড়েছে। তাই এ সময়ে তারাও ক্রয় কমিয়ে দিয়েছেন।’

পাঠকের মতামত: