ঢাকা,রোববার, ৯ জুন ২০২৪

পাম অয়েলের দাম লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়ার আশঙ্কা

Dua pekerja menata kelapa sawit di atas truk di perkebunan kelapa sawit, Mesuji Raya, OKI, Sumatera Selatan, Selasa (9/2). Asosiasi Petani Kelapa Sawit Indonesia (Apkasindo) keberatan dengan pemerintah Perancis atas pengenaan pajak regresif terhadap produk Crude Palm Oil (CPO) Indonesia, yang dianggap sangat memberatkan petani. ANTARA FOTO/ Budi Candra Setya/ama/16.

সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় আগামী বছর পাম অয়েলের দাম লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। এল নিনো আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে শীর্ষ দেশগুলোয় ওই বছর পাম অয়েল উৎপাদন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। খবর সিনহুয়া।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিনিয়োগ ব্যাংক ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ইউওবি কেইহান আগামী বছরের জন্য অপরিশোধিত পাম অয়েলের গড় বিক্রয় মূল্য বাড়িয়ে টনপ্রতি ৪ হাজার ২০০ রিঙ্গিত বা ৯২১ ডলার নির্ধারণ করেছে।

এ বিষয়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি এক বিবৃতিতে জানায়, আগামী বছরের জন্য অপরিশোধিত পাম অয়েলের গড় বিক্রয় মূল্য ৪ হাজার রিঙ্গিতে পৌঁছবে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল। কিন্তু আবহাওয়াসংক্রান্ত ঝুঁকির কারণে আগামী বছর পাম অয়েল সরবরাহ আশঙ্কাজনক ব্যাহত হতে পারে। এ কারণেই মূলত পণ্যটির মূল্য পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে।

ইউওবি কেইহান জানায়, আগামী বছর বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত পাম অয়েল সরবরাহ প্রবৃদ্ধি এক বছরের ব্যবধানে দশমিক ৮ শতাংশ নিম্নমুখী হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে, চলতি বছর যা ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বছর সরবরাহ বাড়ায় মজুদ কমে যাবে। সে কারণেই আগামী বছর সরবরাহের পরিমাণ নিম্নমুখী হয়ে উঠতে পারে।

প্রতিষ্ঠানটি আরো জানায়, পাম অয়েল উৎপাদক অঞ্চলগুলোয় এল নিনো এখনো পুরোপুরিভাবে আঘাত হানেনি। অনেক দেশে এখনো পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এসব দেশে শুষ্ক আবহাওয়া দেখা দিলেই সরবরাহ কমতে শুরু করবে। এল নিনোর কারণে উৎপাদন অপরিবর্তিত বা কমতে পারে।

এদিকে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে উত্তর আমেরিকার কৃষি উৎপাদনও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সয়াবিন উৎপাদন কমে যাওয়ার পূর্বাভাস মিলেছে। কানাডায় ব্যাহত হতে পারে ক্যানোলা (এক ধরনের তেলবীজ) উৎপাদনও। এতে পাম অয়েলের ওপর চাপ বাড়বে।

পাঠকের মতামত: