ঢাকা,বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

মাদার তেরেসা এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন দুবাই প্রবাসী শওকত আলী মোল্লা

ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রবাসীদের কল্যাণে বিশেষ অবদানের জন্য মাদার তেরেসা এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছেন দুবাই প্রবাসী, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এইচ.এম.শওকত আলী মোল্লা। সম্প্রতি মাসিক মানবজীবন ও ইউনিটি ফর ইয়াং জার্নালিস্ট এর উদ্যোগে রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে নোবেল বিজয়ী মাদার তেরেসার জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা ও মাদার তেরেসা এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার গুণীজনদের মাঝে মাদার তেরেসা এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে সংগঠনের উপদেষ্টা আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান বাবুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ নিজামুল হক নাসিম, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মুখপাত্র অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবির অধ্যাপক ড. হামিদা খানম, চবির অধ্যাপক জিনবোধি বিক্ষু, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধ্যাপক কামুধা প্রসাদ সাহা, বাংলা টিভির পরিচালক শামস শান্তনু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগতম বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব ইমদাদুল হক তৈয়ব।

মোল্লা ম্যাক্স গ্রুপ লিমিটেডের চেয়ারম্যান শওকত আলী দীর্ঘ আটাশ বছর যাবত প্রবাসী জীবন যাপন করছেন। ইউকে এবং অস্ট্রেলিয়াতেও তিনি অভিবাসী ছিলেন। তিনি শরীয়তপুরের নড়িয়ার সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবার হাজি মোহাম্মদ সাহেব আলী মোল্লার সন্তান।

শওকত আলী মোল্লা দুবাইয়ে গড়ে তুলেছেন নানা ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তার মধ্যে রয়েছে ম্যাক্স ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরস প্রাইভেট লিমিটেড, ঝিল মানি এক্সচেঞ্জ, মোল্লা ম্যাক্সব্রিক প্রাইভেট লিমিটেড, মোল্লা ম্যাক্স ট্রেডার্স, মোল্লা ম্যাক্স রিয়েল এস্টেট ডট কম এবং মোল্লা ইমপোর্ট এন্ড এক্সপোর্ট ইত্যাদি। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি প্রবাসে বাংলাদেশীদের জন্য বিশেষ সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও একজন মানবপ্রেমী মানুষ হিসেবে তিনি প্রবাসীদের কল্যাণে তাদের বিপদে আপদে সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। কখনো একাকী, কখনো সাংগঠনিক উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি এসব কাজ করে থাকেন।

ইউকে ছেড়ে দুবাই আসার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমি যদি আজ পর্যন্ত ইউকেতে থাকতাম, তাহলে আমিও আমার পরিবারের সবাই ইউকের নাগরিকত্ব পেয়ে যেতাম। কিন্তু আমি যখন দেখলাম ওখানে মানুষের কল্যাণে কাজ করা সম্ভব নয় এবং অনেক কঠিন বিষয়। পাশাপাশি যখন দেখলাম দুবাইয়ে মানুষের জন্য ও দেশের জন্য কাজ করা এবং সহযোগিতা করা অনেক সহজ তখনই আমি ইউকে ও অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে দুবাইয়ে চলে আসি।

মাদার তেরেসা এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রসঙ্গে তার অনুভূতি জানতে চাইলে  তিনি বলেন, দীর্ঘ ২৮ বছর প্রবাসী জীবনে নিজের ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি, প্রবাসের মাটিতে বিভিন্ন সংগঠন থেকে সম্মাননা পেলেও এবারই প্রথম দেশের মাটিতে একটি বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছে। মাদার তেরেসা এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২২ পেয়ে আমি সত্যিই আনন্দিত ও গর্বিত। এই সম্মাননা আমার দায়িত্ব ও কাজের গতিকে আরো বাড়িয়ে দিবে বলে আমি মনে করি।

এনজে

পাঠকের মতামত: