ঢাকা,সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

নিতাইগঞ্জে কেজিতে ৩-৫ টাকা বেড়েছে ডালের দাম

নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজার নিতাইগঞ্জে ডালের দাম আরেক দফা বেড়েছে। ঈদ সামনে রেখে চাহিদা বাড়ায় ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি সব ধরনের ডালের দাম বেড়েছে ৩-৫ টাকা। নিতাইগঞ্জের ব্যবসসায়ীরা বলছেন, মূলত বাংলাদেশে ডালের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে হাতে গোনা দু-তিনটি বড় কারখানা। তারা বিদেশ থেকে ডাল কিনে এনে নিজেদের মিলে ভাঙিয়ে বাজারে সরবরাহ করে। এরপর মিল গেটে যে মূল্য বেঁধে দেয় সেই দামেই নিতাইগঞ্জ, খাতুনগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের ব্যবসায়ীরা কিনে প্রত্যন্ত অঞ্চলের খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করেন।

বাজারে দেখা যায়, দেশীয় মসুর ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ১৩০ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে একই ডাল বেচাকেনা হয়েছিল ১২৭ টাকা কেজি দরে। সে হিসাবে দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ৩ টাকা।

ভারতের দিল্লি সুপার ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ১৩৫ টাকা কেজি দরে। একই ডাল ১০-১২ দিন আগেও বেচাকেনা হয়েছিল ১৩০ টাকা কেজি দরে। সে হিসেবে দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৫ টাকা। আরএ কোয়ালিটির (৩০ কেজি) দিল্লি সুপার ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ১২৮ টাকা কেজি দরে। একই ডাল এক সপ্তাহ আগেও বেচাকেনা হয়েছিল ১২৫ টাকা কেজি দরে। সে হিসাবে দাম বেড়েছে ৩ টাকা।

বোল্ডার মসুর ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ৯৫ টাকা কেজি দরে। একই ডাল সপ্তাহখানেক আগে দর ছিল কেজিপ্রতি ৯২ টাকা। সে হিসাবে দাম বেড়েছে ৩ টাকা। ভাঙা মসুর ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ৯০ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহ আগে একই ডাল বেচাকেনা হয়েছিল ৮৬ টাকা কেজি দরে। সে হিসাবে দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৪ টাকা। খেসারি ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহ আগেও একই ডাল বাজারে বেচাকেনা হয়েছিল ৭৪ টাকা কেজি দরে। সে হিসাবে দাম বেড়েছে ৪ টাকা।

মুগ ডাল বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা কেজি দরে। একই ডাল কয়েক দিন আগে ১০২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। সে হিসাবে দাম বেড়েছে ৩ টাকা।

ডাল ব্যবসায়ী বিকাশ সাহা জানান, ঈদ সামনে রেখে বাজারে সব ধরনের ডালের চাহিদা বেড়েছে। তীব্র তাপদাহের চাহিদা বাড়ায় দাম কিছুটা বেড়েছে। মূলত ডালের বাজারে নিয়ন্ত্রণ এখন হাতে গোনা তিন-চারটি মিলের হাতে। তারা যে দাম বেঁধে দেয় আমাদের সে দামে কিনে পরিবহন খরচ, দোকান খরচ যুক্ত করে ২-১ টাকা লাভে বিক্রি করতে হয়। এসব মিলে সরকারে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার থাকলে দাম বাড়ার কথা নয়।

এনজে

পাঠকের মতামত: